হাইব্রিড গোলাপি ফুলকপি – ছাদ বাগান ও খামারের জন্য আকর্ষণীয় জাত
সাধারণ সাদা ফুলকপি তো আমরা সবসময়ই বাজারে দেখি, তবে আপনার নিজের বাগানে যদি থাকে আকর্ষণীয় গাঢ় গোলাপি বা বেগুনি রঙের ফুলকপি, তবে তা সবার নজর কাড়তে বাধ্য! আমাদের এই উন্নত মানের গোলাপি ফুলকপি বীজ বাংলাদেশের আবহাওয়ায় চাষের জন্য সম্পূর্ণ উপযোগী। সালাদ, স্যুপ কিংবা তরকারিতে কালারফুল লুক এবং বাড়তি পুষ্টি যোগ করতে এই রঙিন ফুলকপি বীজটি বাগানীদের প্রথম পছন্দ।
কেন আমাদের গোলাপি বা বেগুনি ফুলকপি আপনার বাগানে রোপণ করবেন ?
নজরকাড়া রঙ ও মচমচে স্বাদ: এই বীজ থেকে উৎপন্ন ফুলকপিগুলো নিরেট, ওজনে ভারী এবং নজরকাড়া গোলাপি-বেগুনি রঙের হয়। এটি অত্যন্ত ক্রিস্পি বা মচমচে হওয়ায় সালাদ বা তরকারি হিসেবে খেতে দারুণ সুস্বাদু।
প্রচুর পুষ্টিগুণে ভরপুর: গোলাপি ও বেগুনি ফুলকপিতে সাধারণ সাদা ফুলকপির চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট (অ্যান্থোসায়ানিন) এবং ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে জাদুর মতো কাজ করে।
সহজ ছাদ বাগান: এই জাতটি খুব বেশি ছড়ায় না এবং কম জায়গাতেই চমৎকারভাবে বাড়ে। তাই ছাদ বাগানের এক্সোটিক সবজি হিসেবে ১২-১৫ ইঞ্চির একটি টব বা ড্রামেই এটি সহজে চাষ করা যায়।
টবে বা মাটিতে গোলাপি ফুলকপি চাষের সহজ গাইড:
1. চারা তৈরি: বীজগুলো সরাসরি মূল টবে না বুনে প্রথমে একটি ছোট পাত্র বা সিডলিং ট্রের মাধ্যমে চারা তৈরি করে নিন। বপনের আগে বীজগুলো ১০-১২ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে দ্রুত চারা গজাবে।
2. মাটি প্রস্তুতকরণ: ফুলকপি গাছ প্রচুর পুষ্টি পছন্দ করে। তাই দোআঁশ মাটির সাথে গোবর সার বা কেঁচো সার (Vermicompost) এবং সামান্য হাড়ের গুঁড়ো মিশিয়ে উর্বর মাটি তৈরি করুন।
3. আলো ও পানি: চারা একটু বড় হলে প্রতিদিন অন্তত ৫-৬ ঘণ্টা সরাসরি কড়া রোদ পায় এমন স্থানে রাখুন। মাটিতে আর্দ্রতা বজায় রাখতে নিয়মিত পরিমিত পানি দিন, তবে গোড়ায় যেন পানি না জমে।











Reviews
There are no reviews yet.