লাল তীর গ্রীন কিং শসা : সারা বছর অধিক ফলন ও নিশ্চিত লাভের সেরা জাত
বাণিজ্যিক শসা চাষে সফলতার মূল চাবিকাঠি হলো সঠিক জাত নির্বাচন। লাল তীর কম্পানির গ্রীন কিং শসা আধুনিক চাষিদের জন্য একটি অত্যন্ত লাভজনক এবং নির্ভরযোগ্য নাম। দেশের আবহাওয়া উপযোগী এই জাতটি তীব্র গরম কিংবা শীত সব ঋতুতেই সমানভাবে ফলন দিতে সক্ষম।
গ্রীন কিং শসার মূল বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা:
আকর্ষণীয় বড় সাইজ: এই জাতের প্রতিটি ফল চমৎকার সোজা এবং গড়ে ১৮-২০ সে.মি. লম্বা হয়ে থাকে। আকর্ষণীয় গাঢ় সবুজ রঙের কারণে বাজারে এই বড় সাইজের শসা খুব দ্রুত বিক্রি হয়।
বারোমাসি চাষের সুবিধা: এটি একটি বারোমাসি চাষ এর জাত। মৌসুমের যেকোনো সময় এই বীজ বপন করে আপনি কাঙ্ক্ষিত ফলন ঘরে তুলতে পারবেন।
উচ্চ ফলনশীল জাত: সাধারণ জাতের তুলনায় এই জাতের শসা থেকে কয়েক গুণ বেশি ফলন পাওয়া যায়। প্রতিটি গাছে প্রচুর পরিমাণে স্ত্রী ফুল আসে, যার ফলে শতভাগ ফলন নিশ্চিত হয়।
দীর্ঘদিন সতেজ থাকে: গ্রীন কিং জাতের শসা কাটার পরও সহজে নষ্ট বা কালচে হয় না। ফলে দূর-দূরান্তে পরিবহনে বা বাজারে বিক্রির জন্য এটি নিরাপদ।
কেন লাল তীরের গ্রীন কিং শসা বীজ আপনার প্রথম পছন্দ হবে ?
এই জাতের শসা অত্যন্ত ক্রিস্পি, সুস্বাদু এবং তেতো ভাবমুক্ত হওয়ায় সাধারণ ক্রেতাদের কাছে এর গ্রহণযোগ্যতা অনেক বেশি। এছাড়া গাছগুলো অত্যন্ত শক্তিশালী এবং লতানো প্রকৃতির হওয়ায় রোগবালাই ও ছত্রাকের আক্রমণ অনেক কম হয়। অল্প পুঁজিতে ও কম সময়ে বেশি লাভ করতে এই জাতটি ছাদ বাগান বা ফসলের মাঠে চাষের জন্য সেরা।
চাষ পদ্ধতি ও সঠিক যত্ন:
- বীজ বপনের আগে ভালোমতো জমি বা টবের মাটি প্রস্তুত করে নিন।
- লতানো গাছের সঠিক বৃদ্ধির জন্য মাচা বা বাউনির ব্যবস্থা করুন।
- মাটির উর্বরতা ও গাছের পুষ্টির জন্য নিয়মিত জৈব সার প্রয়োগ করুন।







Reviews
There are no reviews yet.