লাল তীর হাইব্রিড লাউ আরোশ: বারোমাসি চাষে সর্বোচ্চ ফলনের নিশ্চয়তা
বাজারে গোল ও আকর্ষণীয় লাউয়ের চাহিদা সবসময়ই বেশি থাকে। আপনি যদি আধুনিক পদ্ধতিতে লাউ চাষ করে লাভবান হতে চান, তবে লাল তীর কম্পানির হাইব্রিড লাউ আরোশ আপনার জন্য সেরা নির্বাচন। এই জাতটি অত্যন্ত রোগবালাই সহনশীল এবং দেশের যেকোনো মাটিতে সারা বছর চাষ করার উপযোগী।
লাউ আরোশ জাতের প্রধান বৈশিষ্ট্য ও উপকারিতা:
আকর্ষণীয় রূপ ও আকার: এই জাতের লাউ দেখতে চমৎকার গোল এবং নজরকাড়া হালকা সবুজ রঙের হয়ে থাকে, যা বাজারে দ্রুত বিক্রি হয়।
উচ্চ ফলনশীল জাত: সাধারণ জাতের চেয়ে এই উচ্চ ফলনশীল লাউ বীজ থেকে কয়েক গুণ বেশি ফলন পাওয়া যায়। প্রতিটি লাউয়ের গড় ওজন হয় ২ থেকে ৫ কেজি।
সারা বছর চাষ উপযোগী: এটি একটি বারোমাসি লাউ এর জাত। শীত, গ্রীষ্ম কিংবা বর্ষা যেকোনো ঋতুতেই এই বীজ বপন করা যায়।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: লাল তীরের এই হাইব্রিড জাতটি সাধারণ ভাইরাস ও ছত্রাকজনিত রোগ প্রতিরোধী, যার ফলে চাষে বাড়তি খরচ ও ঝুঁকি অনেক কমে যায়।
কেন লাল তীর লাউ বীজ বেছে নেবেন ?
কৃষক ভাইদের বিশ্বস্ত নাম লাল তীর বীজ। তাদের উৎপাদিত গোল লাউ আরোশ দেশের আবহাওয়ার সাথে শতভাগ মানানসই। এর চমৎকার অঙ্কুরোদগম ক্ষমতা এবং দ্রুত বৃদ্ধির কারণে বীজ রোপণের অল্প দিনের মধ্যেই মাচায় লাউ ধরা শুরু করে। লাউয়ের ভেতরের অংশ নরম, আঁশহীন এবং খেতে অত্যন্ত সুস্বাদু হওয়ায় এর বাজারমূল্য সবসময় ভালো পাওয়া যায়।
চাষাবাদ ও পরিচর্যা পরামর্শ:
বীজ বপনের আগে ২৪ ঘণ্টা পানিতে ভিজিয়ে রাখলে অঙ্কুরোদগম দ্রুত হয়। সঠিক পুষ্টির জন্য সুষম জৈব সার এবং মাটির উর্বরতা বৃদ্ধিতে হিউমিক এসিড ব্যবহার করতে পারেন। লাউয়ের সঠিক বৃদ্ধির জন্য মাচা বা বাউনির ব্যবস্থা করুন।







Reviews
There are no reviews yet.