ক্যাপসিকাম বীজ – সবুজ থেকে লাল রঙের চমৎকার জাত
বাজারে ক্যাপসিকামের চাহিদা সবসময়ই চড়া। আর যদি নিজের ছাদ বাগানে বা জমিতে একদম ফ্রেশ ক্যাপসিকাম চাষ করা যায়, তবে তো কথাই নেই! আমাদের উন্নত জাতের ক্যাপসিকাম বীজ আপনাকে দেবে অল্প পরিশ্রমে প্রচুর ফলন। এই জাতের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো, এর ফলগুলো কাঁচা অবস্থায় আকর্ষণীয় সবুজ থাকে এবং পরিপক্ব হলে টকটকে লাল রঙে রূপান্তর হয়, যা আপনার বাগানের সৌন্দর্য বাড়ানোর পাশাপাশি খাবারে আনবে দারুণ স্বাদ ও পুষ্টি।
কেন আমাদের মিষ্টি মরিচ চাষ করবেন ?
আকর্ষণীয় রঙ ও আকার: এই জাতের ক্যাপসিকামগুলো আকারে বেশ বড়, মাংসল এবং ওজনে ভারী হয়। সবুজ ও লাল দুই অবস্থাতেই এটি সালাদ বা রান্নায় ব্যবহারের উপযোগী।
রোগবালাই প্রতিরোধী: সাধারণ হাইব্রিড ক্যাপসিকাম বীজ এর তুলনায় এই জাতটির রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি, ফলে গাছ সহজে মরে না।
ছাদ বাগানের জন্য আদর্শ: আপনি চাইলে খুব সহজেই টবে বা ড্রামে এই ছাদ বাগানের বীজ বুনে চমৎকার ফলন পেতে পারেন।
বীজ বপন ও চাষ পদ্ধতি:
1. মাটি প্রস্তুতকরণ: দোআঁশ মাটির সাথে পর্যাপ্ত পরিমাণে জৈব সার বা কোকোপিট মিশিয়ে মাটি ঝুরঝুরে করে নিন।
2. বীজ তলা তৈরি: বীজগুলো সরাসরি মাটিতে না বুনে প্রথমে ছোট কাপ বা ট্রিতে চারা তৈরি করে নেওয়া ভালো।
3. আলো ও পানি: চারা গজানোর পর দৈনিক ৫-৬ ঘণ্টা রোদ পায় এমন স্থানে রাখুন এবং নিয়মিত পরিমিত পানি দিন।










Reviews
There are no reviews yet.